ঢাকা মঙ্গলবার | ৭ই এপ্রিল, ২০২০ ইং | ২৪শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

প্রিয়াংকা চৌহান
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ১১:৩৮

মুরগি পালনে মোছাম্মৎ শান্তনার ভাগ্য পরিবর্তন

tesst

গাইবান্ধা সদর উপজেলার পূর্ব পেয়ারাপুরের মো.নুরুল হকের স্ত্রী মোছাম্মৎ কাজল; গত ৩ বছর ধরে মুরগি পালন করছেন। পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরাতে এ কাজ শুরু করেন তিনি। মাত্র ৩শ’ টি মুরগি দিয়ে শুরু করা পোল্ট্রি খামারে আজ তার ৯শ’ মুরগি। এ মুরগি পালন করেই পরিবারের আর্থিক যোগানসহ তিন মেয়ের পড়ালেখার খরচ চালাচ্ছেন তিনি। শুধু আর্থিক নয়, মুরগির মাংস-ডিম দিয়ে পূরণ করছেন পুষ্টির চাহিদা। বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় আড়াই লাখ টাকা আয় করেন মোছাম্মৎ শান্তনা। তার খামারের দেখাশোনা করেন পরিবারের সকল সদস্য। কিন্তু খরচের তুলনায় আয় কম হওয়ায় অন্য কাউকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিতে পারেন না তিনি। এখন বড় একটি পোল্ট্রি ফার্ম নির্মাণের স্বপ্ন তার। এজন্য সরকারি- বেসরকারি পর্যায়ে আর্থিক সহযোগিতার প্রত্যাশা তার। মোছাম্মৎ শান্তনার এমন সাফল্যে খুশি স্বামী মো.নুরুল হক। ভবিষ্যতে তাকে সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। আমাদের কথা হয় গাইবান্ধা জেলার প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল লতিফের সাথে। তিনি জানান, প্রশিক্ষণ-পরামর্শসহ মুরগির অন্যসব সমস্যা সমাধান সরাসরি করতে পারবেন। কিন্তু ঋণ সহায়তা সরাসরি করতে না পারলেও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সাতে সমন্বয় করে সহায়তার আশ্বাস দিলেন তিনি। মোছাম্মৎ শান্তনার মতো নিজ নিজ উদ্যোগে এগিয়ে আসবে জেলার অন্যসব নারীরা-এমনটাই প্রত্যাশা গাইবান্ধার সচেতনমহলের।

লেখক: কমিউনিটি ফেলো, রেডিও সারাবেলা।

বিষয়সমূহঃ