ঢাকা রবিবার | ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে ভাদ্র, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

আগামী নিউজ ডেস্ক
৬ জুলাই, ২০১৮ | ১৫:৩৪

এনবিআরের রাজস্ব আয় বেড়েছে সাড়ে ১৯ শতাংশ

tesst

বিদায়ী ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রাজস্ব আয় পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় সাড়ে ১৯ শতাংশ বেশি হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূইয়া।
তিনি বলেন,‘ট্রেজারিতে যে টাকাটা জমা হয়েছে,তা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে হিসাব দেওয়া হবে, বাড়িয়ে বলা হবে না। রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হওয়া অর্থই প্রকৃত রাজস্ব আয়। এখন পর্যন্ত আমরা যে তথ্য পেয়েছি, তাতে বিদায়ী অর্থবছরে রাজস্ব আয় বেড়েছে সাড়ে ১৯ শতাংশ। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আয় ছিল এক লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা।
বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইল আইডিইবি ভবনে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের রাজস্ব নীতি বিষয়ক দু’দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ ট্যাক্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউট (বিটিটিআই) এই কর্মশালার আয়োজন করে।
বিটিটিআই প্রধান উপদেষ্টা শ্যামল কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এডিআর ফ্যাসিলেটেটর সৈয়দ আমিনুল করিম,এনবিআর সদস্য (ভ্যাট) সুলতান মো. ইকবাল,সদস্য (কর) জিয়া উদ্দিন মাহমুদ,সদস্য (কাস্টমস নীতি) ফিরোজ শাহ আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, গত অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ার কারণ লক্ষ্যমাত্রা খুব উচ্চাভিলাসী ছিল। তবে লক্ষ্যমাত্রা উচ্চাভিলাসী না হলে তা অর্জনের আকাঙ্খা থাকে না। তিনি বলেন, এবার নির্বাচনের বছর হলেও এর কোন নেতিবাচক প্রভাব রাজস্ব আয়ে পড়েনি, আশা করি বাকী সময়টুকুতেও পড়বে না।
মোশাররফ হোসেন বলেন, এবারের বাজেটে স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর প্রতি গুরুত্ব বেশি ছিল।
তিনি বলেন, ‘রাজস্ব নীতিতে অনেক সংস্কার আনার লক্ষ্য রয়েছে আমার। প্রথম বছরে সব বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।সরকারের শেষ এবং নির্বাচনী বছর হওয়ায় এমন কিছু নিয়ে আসিনি যাতে সাধারণ মানুষ বিরক্ত হয়।ভবিষ্যতে ভালো কিছু করবো।তবে প্রথম লক্ষ্য থাকবে যে কোন নীতি যেনো দীর্ঘ সময় চলে। কারণ, ঘন ঘন নীতি পরিবর্তন হলে বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ হারায়। দেশিয় বিনিয়োগকারীরা দ্বিধান্বিত থাকে।’
করপোরেট করহার প্রসঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘করপোরেট কর কমিয়েছি। তবে সব স্তরে নয়। যদি সকল স্তরে কমাই তাহলে বড় ধরনের রেভিনিউ থেকে বঞ্চিত হই। এবার বেনিফিটটা ব্যাংক পেয়েছে। টেলিফোন ও সিগারেটে কর কমাতে চাইনি। বিশ্বের সব দেশে করপোরেট করহার ধীরগতিতে কমানো হয়। যদি ভবিষ্যতে আরো চিন্তা-ভাবনা করি তাহলে ৩৫ ও ২৫ শতাংশে হাত দেয়া হবে।’

বিষয়সমূহঃ