ঢাকা বুধবার | ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে ভাদ্র, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

আগামী নিউজ ডেস্ক
২৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ | ০৪:১৯

কেরাণীগঞ্জে হচ্ছে হাব পল্লী

tesst

ঢাকা: দেশের অন্তত ৪০০ হজ এজেন্সির মালিকরা শিগগিরই একটি নির্দিষ্ট এলাকায় বসবাসের সুযোগ পাচ্ছেন। আর এ ঠিকানা হতে যাচ্ছে ঢাকার অদূরেই কেরাণীগঞ্জের ভাকুর্তা এলাকায়। হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) ব্যবস্থাপনায় সেখানে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে হাব পল্লী। পল্লীর কাজ শেষ হলেই এজেন্সির মালিকরা বসবাসের সুযোগ পাবেন সেখানে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, হাব পল্লীর জন্য কেনা জমিতে বালু ও মাটি ভরাট এবং প্রায় ৮০ ফুট প্রশস্ত একটি সার্ভিস সড়ক নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ভূমি উন্নয়নকারী সংস্থা জমজম মেগাসিটি কর্তৃপক্ষ। হাবের প্রায় ১,৫০০ বিঘা জমির একাংশে ১০ বিঘা জমিতে গড়ে উঠবে এই পল্লী।

জমজম মেগাসিটি কর্তৃপক্ষের পরিচালক শেখ মো. আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রকল্পের জমি হাবকে বুঝিয়ে দেয়ার কথা থাকলেও তারা আগামী ছয়মাসের মধ্যেই জমিটি বুঝিয়ে দিতে কাজ করছেন। যেনো হাবের সদস্যরা দ্রুত সেখানে আবাসন তৈরি করে বসবাসের সুযোগ পান। এ লক্ষ্য নিয়ে দ্রুত গতিতে মাটি ভরাট ও সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, প্রকল্পের মাঝামাঝি উত্তর-দক্ষিণে একটি ৮০ ফুট প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। যা বশিলায় বড় সড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে। এছাড়া পূর্ব-পশ্চিমে আরও একটি ৬০ ফুট সড়ক নির্মাণের কাজও দ্রুত শুরু হবে। যা হাব পল্লীর প্লটগুলোর ঠিক মাঝামাঝি দিয়ে গাবতলী এলাকায় গিয়ে প্রধান সড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে। এতে এ পল্লীতে বসবাসকারী সুবিধাভোগীরা দ্রুতই ঢাকার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন।

হাব পল্লী প্রতিটি পাঁচ কাঠার ৪০টি প্লটে মোট ১০ বিঘা জমি নিয়েছে। এতে জমির মূল্য ধরা হয়েছে মোট ছয় কোটি টাকা। প্রতি কাঠার মূল্য হবে তিন লাখ। এরসঙ্গে বিদ্যুৎ, গ্যাস লাইন, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ও সড়কসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা যুক্ত করে প্রতি কাঠার মোট মূল্য দাঁড়াবে ছয় লাখ টাকা। এ হিসেবে জমিতে হাব পল্লীর মোট ব্যয় হবে প্রায় ১২ কোটি টাকা।
হাবের সাবেক এই মহাসচিব জানান, সদস্যদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই এখানে সব সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

হাবের বর্তমান কমিটির সদস্য ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, ‘আশা করছি জমিটি দ্রুতই হাব পল্লীর কাছে হস্তান্তর করতে পারবে কর্তৃপক্ষ। জমিটি হস্তান্তর হলেই সেখানে সদস্যদের জন্য আবাসন তৈরির কাজ শুরু হবে। এতে সদস্যরা দ্রুতই একটি নির্দিষ্ট স্থানে বসবাসের সুযোগ পাবেন।’

ফরিদ মজুমদার বলেন, ‘হাবের একজন সদস্যের কাছ থেকেই পল্লীর জমি কেনা হয়েছে। যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেই জমিটি কেনা হয়েছে। হাব সদস্যের থেকে জমিটি কেনার কারণেই জমিটির নিষ্কণ্টকতা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।’

বিষয়সমূহঃ